শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া বিষে ৫ লক্ষ টাকার মাছ নিধন খুলনাকে আবারও শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে ব্যাপক আয়োজনে নতুন কুঁড়ি শুভ উদ্বোধন ​উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন

২০৩০ সালে অবসরে যাবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন

  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৯৭ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) ২০৩০ সালে দীর্ঘ ৩০ বছরের কার্যক্রম শেষ করে অবসরে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, তখন এটি নিরাপদভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে নামিয়ে আনা হবে। এর মাধ্যমে মহাকাশ অভিযানের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে।
২০০০ সালের ২ নভেম্বর এক মার্কিন নভোচারী ও দুই রুশ মহাকাশচারী প্রথমবারের মতো স্টেশনে অবস্থান নেন। এরপর থেকে টানা ৩০ বছর ধরে আইএসএস মানব উপস্থিতির ধারক হিসেবে কাজ করে এসেছে।
বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন মানব সহযোগিতা ও সাহসিকতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ঘুরে বেড়ানো এই স্টেশনে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে অসংখ্য গবেষণা পরিচালনা করেছেন। এখন যখন এর সমাপ্তি ঘনিয়ে এসেছে, তখন এর বৈজ্ঞানিক মূল্য ও অবদানের ব্যাপারে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

আইএসএস নির্মাণ ও পরিচালনায় প্রায় ১৫০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। শুধু রক্ষণাবেক্ষণেই নাসাকে প্রতিবছর প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার খরচ করতে হয়। ১৯৯০-এর দশকে যখন স্টেশনটি চালু হয়, তখন বিজ্ঞানীরা আশা করেছিলেন এখানকার পরীক্ষাগুলো ক্যানসার নিরাময় বা মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচনে বড় ভূমিকা রাখবে। তবে বাস্তবে ফলাফল এসেছে ধীরে ধীরে।
নাসার তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত স্টেশনে ৪,০০০-এর বেশি পরীক্ষা চালানো হয়েছে এবং সেগুলো থেকে ৪,৪০০ গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষক পাউলা কাস্তানো-রদ্রিগেজের মতে, আইএসএস-এর সবচেয়ে বড় অর্জন হলো বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা। বিভিন্ন দেশ ও গবেষককে একত্রে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে এই স্টেশন।
তিনি মনে করেন, এটি শুধু বৈজ্ঞানিক ল্যাব নয়—মানব ঐক্য, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতীক। তাই ২০৩০ সালে অবসানের পরও এটি থাকবে মানব ইতিহাসে মহাকাশ সহযোগিতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT