শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া বিষে ৫ লক্ষ টাকার মাছ নিধন খুলনাকে আবারও শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে ব্যাপক আয়োজনে নতুন কুঁড়ি শুভ উদ্বোধন ​উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন

হারিয়ে যাচ্ছে হুতুম পেঁচা

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৬ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : যদিপেঁচা বাংলাদেশে একটি পরিচিত পাখির নাম। অন্যান্য পাখির চেয়ে পেঁচার শারীরিক গঠন ভিন্ন। দেখতে একটু অদ্ভুত মনে হয়। হাঠাত কেউ পেঁচা দেখলে ভয়ে আঁতকে উঠতে পারে। প্রকৃতপক্ষে পেঁচাকে দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
একটা সময় ছিল গভীর রাতে বসত ঘরে আশে-পাশে  গাছের ডালে পেঁচার ডাক শোনা যেতো। এখন আর পেঁচার ডাক শোনা যায় না। পেঁচা যখন রাতের আঁধারে নিম নিম করে ডাকতো তখন অনেকে ভয় পেয়ে যেতো। মানুষ ভাবত পেঁচা ডাকছে হয়তো কেউ মারা যেতে পারে। এটা এক প্রকারের কুসংস্কার।  কারণ পেঁচা ডাকলেই কেউ মারা যাবে এমন কোন যৌতিক তথ্য আজও পাওয়া যায় নি।
পেঁচাকে অনেকে অশুভ পাখি বলে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে পেঁচা কোন অশুভ পাখি নয়। পেঁচাকে শুভ পাখি বলা যেতে পারে। কারণ পেঁচা ফসলের ব্যাপক ক্ষতি থেকে বাংলাদেশের কৃষক বা কৃষি খাতকে অনেকাংশে রক্ষা করতে পারে। ইঁদুর বাংলাদেশের কৃষক এবং কৃষি খাতে অনেক ক্ষতি করে থাকে।  আর পেঁচার শিকারের মধ্যে প্রধান শিকার হলো ইঁদুর। পেঁচা ইঁদুরকে শিকার করে খাবার হিসাবে গ্রহণ করে কৃষি খাতকে ইঁদুরের আক্রন থেকে রক্ষা করে থাকে।
পেঁচার চোখ অম্যান্য পাখির চোখ থেকে আকারে বড়। পেঁচার দিনে চলাচল করে না। রাতে চলাচল করে বলে পেঁচাকে নিশাচর পাখিও বলা হয়ে থাকে। অনেকে মনে করেন পেঁচা অন্যায় কাজ কর্ম সহ্য করতে পারে না বলে রাতের আঁধারে চলা ফেরা করে।
৮০ দশকের দিকে বড় গাছ এবং জঙ্গলে পেঁচা দেখা যেতো। সমাজের কতিপয় লোভি মানুষ কর্তৃক বড়বড় গাছ এনং বনাঞ্চল ধ্বংস করার ফলে পেঁচা প্রায় বিলুপ্তির পথে। এখন আর আগের মত পেঁচা দেখা যায়।  নির্বিচারে বড় গাছ এনং বনাঞ্চল নিধন করা হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পেঁচা একটি অপরিচিত পাখি হবে পরিগনিত হবে। বাংলাদেশের কৃষি খাতকে ইঁদুরের আক্রমন থেকে বাঁচাতে পেঁচা সংরক্ষনে অভয়ারণ্য করা দরকার।
জানা যায়, প্যালেস্টাই, জর্ডান ও ইসরাইলে জমির পাশে পেঁচার জন্য বাসা তৈরী করে রাখা হয় জমির ফসলকে ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষা করতে।
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ ছাড়া সকল মহাদেশে পেঁচা দেখতে পাওয়া যায়। পেঁচাকে অনেকে অশুভ পাখি মনে করেন। প্রকৃত পক্ষে পেঁচা অশুভ পাখি নয়। সনাতন ধর্মের লোকেরা পেঁচাকে দেবা লক্ষীর বাহন মনে করেন।
পেঁচা নিজে বাসা তৈরী করতে পারে না। তারা অন্যের তৈরী করা বাসায় এবং বড় গাছের কুটরি ও বনজঙ্গলে বসাস করে।
আসুন প্রকৃতির একটি অতি উপকারী প্রাণী হুতুম পেঁচাকে বাঁচাতে নির্বিচারে গাছ ও বনজঙ্গল নিধন রোধ করি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT