শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভেরি বাধ ভাঙ্গার আতঙ্ক, এখনো ঘুমাতে পারে না উপকূলের মানুষ ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া বিষে ৫ লক্ষ টাকার মাছ নিধন খুলনাকে আবারও শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে ব্যাপক আয়োজনে নতুন কুঁড়ি শুভ উদ্বোধন

ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের ড্রোন হামলা, নিহত ১৩

  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২০ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : দক্ষিণ লেবাননের সাইদা শহরের আইন আল-হিলওয়ে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের ড্রোন ও বিমান হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অনেকেই।
গতকাল মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে এ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল আল-মানার জানায়, শরণার্থী শিবিরের একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় হামলা চালায় ইসরায়েল। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান খুব নিচু থেকে হামলা চালায়।
এ ঘটনায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, শরণার্থী শিবিরের ভেতরে হামাসের একটি সক্রিয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে তৎপরতা চালানো যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলের বক্তব্য অনুযায়ী, লেবাননে হামাসের উপস্থিতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তার প্রতি যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় আইডিএফ অভিযান চালিয়ে যাবে।
তবে হামাস ইসরায়েলের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, শিবিরে তাদের কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই এবং এই হামলা ছিল নিরীহ ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ওপর বর্বর আঘাত ও লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন।
অন্যদিকে, পশ্চিম তীরে একই দিনে গুশ এটজিওন জংশনে দুই ফিলিস্তিনি সন্দেহভাজনের ছুরিকাঘাত ও গাড়িচাপায় একজন ইসরায়েলি নাগরিক নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলেই হামলাকারী দুজনকে গুলি করে হত্যা করে।
ফিলিস্তিনি জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে একজন নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিন একই সঙ্গে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়ার পর বিষয়টি ঘিরে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জানায়, গাজা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তারা গাজার প্রশাসনিক দায়ভার গ্রহণে প্রস্তুত।
তবে হামাস বলছে, প্রস্তাবটি গাজার বাস্তব রাজনৈতিক ও মানবিক চাহিদা পূরণ করে না এবং নিরস্ত্রীকরণের দাবি তাদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
গাজার সাধারণ মানুষের মধ্যেও রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মতো। কেউ কেউ আইএসএফকে যুদ্ধ বন্ধ ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি গাজায় নতুন ধরনের নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ তৈরি করতে পারে।
এই সময়ে জর্ডান ও ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রীদ্বয় যুদ্ধবিরতি আরও শক্তিশালী করা এবং গাজার পুনর্গঠনে সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। জর্ডানের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে- ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় তাদের দৃঢ় অবস্থান এবং জেরুজালেমের পবিত্র স্থানের সুরক্ষা।
উল্লেখ্য, লেবানন–ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনা গত বছরের শেষ দিক থেকেই বাড়ছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়। যদিও নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়, লেবাননের পক্ষ থেকে অভিযোগ- ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে।
বিশ্লেষক করিম এমিল বিতার জানান, চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েলের ২৬ জানুয়ারির মধ্যে দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা ছিল, কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়সীমা মানেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT