শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভেরি বাধ ভাঙ্গার আতঙ্ক, এখনো ঘুমাতে পারে না উপকূলের মানুষ ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া বিষে ৫ লক্ষ টাকার মাছ নিধন খুলনাকে আবারও শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে ব্যাপক আয়োজনে নতুন কুঁড়ি শুভ উদ্বোধন

দশমিনায় খড়কুটোর গাদা এখন কালের স্বাক্ষী

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৪ পড়েছেন

দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা থেকে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী জ্বালানী উপকরন খড়কুটোর গাদা এখন কালের স্বাক্ষী হয়ে ইতিহাস হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে কৃষকের বাড়িতে এখন আর আগের মত খড়ের গাদা তেমন দেখা যায় না। উপজেলায় ৮০ কিংবা ৯০ দশকের সময়ে এই সকল উপকরন ছাড়া জীবনযাপন করা একেবারেই অচল ছিল। উপজেলার গ্রামাঞ্চলের বসতঘরের পাশে খড়ের গাদা রান্নার জন্য বর্ষা মৌসুম কিংবা আপাদকালীন সময়ের জন্য জ্বালানী হিসাবে মজুদ করে রাখা হতো। তবে জ্বালানী হিসাবে গ্রামাঞ্চলের কৃষকদের বাড়িতে কেরোসিন তেলই ছিল একমাত্র ভরসা। আধুনিকতার স্পর্শে ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে মানুষের জীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। উপজেলায় সর্বত্র রান্না বান্নার জন্য এলপিজি গ্যাসের ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়ছে।
উপজেলায় ৮০’র দশকের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করায় মানুষের মধ্যে আধুনিকতা ও পরিবর্তন ছোঁয়া লেগে যায়। উপজেলা সদরসহ আশেপাশের কিছু এলাকায় বৈদ্যুতিক আলোয় আলোকিত হয়ে যায়। এরই মধ্যে রান্নার জন্য বৈদ্যুতিক হিটারের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। ফলে দিন দিন জ্বালানীর বিকল্প খড়কুটোর গুরুত্ব কমে যায়। তবে একুশ শতকে উপজেলা থেকে গ্রামাঞ্চল এবং বিচ্ছিন্ন কিছু চর এলাকায় বিদ্যুৎ পৌছে যাওয়ায় এই ধরনের উপকরনের আর প্রয়োজন তেমন হয় না। এছাড়া সৌর বিদ্যুতের কারনে বিদ্যুৎ না থাকলেও কিছুটা সময়ের জন্য এলাকা আলোকিত থাকে। তবে প্রত্যন্ত গ্রামে যেখানে এখনও বিদ্যুৎ পৌছে নাই সেই সমস্ত এলাকায় এখনও জ্বালানী উপকরন হিসাবে খড়ের গাদা এখনও কালের স্বাক্ষী হয়ে আছে।
উপজেলা থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই সমস্ত উপকরন। গ্রাম বাংলার রূপের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হাজার বছরের বিকল্প উপকরন খড়ের গাদা যা এখন বিলুপ্তির পথ থেকে কালের স্বাক্ষী হয়ে যাচ্ছে। উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি আহাম্মদ ইব্রাহিম অরবিল এই বিষয়ে বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য সোনালী প্রান্তর থেকে এক সময় কালের জ্বালানী খড়কুটোর উপকরনগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিকতার বদৌলতে মানুষ রান্নার জন্য এখন এলপিজি গ্যাস ব্যবহার করছে। এক সময় আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য খড়ের গাদা এখন কেবলই স্মৃতি হয়ে যাচ্ছে। বিগত দিনকে পিছনে ফেলে বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামীন ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT