শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া বিষে ৫ লক্ষ টাকার মাছ নিধন খুলনাকে আবারও শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে ব্যাপক আয়োজনে নতুন কুঁড়ি শুভ উদ্বোধন ​উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন

একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় দিশেহারা উপকূলের জেলেরা

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১৮ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : সাগর-নদী ও সুন্দরবনে মাছ ধরায় একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে উপকূলের জেলেরা। প্রায় সারা বছরই মৌসুম ভিত্তিক থাকছে কোন না কোন অবরোধ। এতো সব অবরোধের মধ্যে মাছ শিকারেরও তেমন একটা সুযোগ নেই জেলেদের। ফলে সংসারও চালাতে পারেন না তারা।
মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি বছর জানুয়ারী মাসে ১৫ দিন ও ফেব্রুয়ারি মাসে ১৫ দিন চালানো হয় বিশেষ কম্বিং অপারেশন। অবৈধ জালের অভিযান চলাকালে কোন সহায়তা পান না জেলেরা।
এছাড়া প্রতি বছর ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন বন্ধ থাকে সমুদ্রে মাছ আহরণ। এ ৫৮ দিন সমুদ্রে সকল প্রজাতির মাছের প্রজনন মৌসুম। এ মৌসুমে কোন জেলেই কোন প্রজাতিরই মাছ শিকার করতে পারেন না সাগরে।
আর প্রতি বছর অক্টোবর মাসে ২২দিন অবরোধ থাকে সাগর ও নদীতে। এ ২২দিন ধরে মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান চালানো হয়ে থাকে। এ ২২ দিনে সাগর-নদীতে সকল প্রকার জাল ফেলা ও মাছ ধরা বন্ধ থাকে জেলেদের। অপরদিকে প্রতি বছর ১ লা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে। এ সময়টাতে ঝাটকা ইলিশ সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।
নিষেধাজ্ঞার এ লম্বা সময়ে কার্ডধারী জেলেরা দুই ধাপে চাল সহায়তা পেয়ে থাকেন। প্রথম দপায় ৮০ কেজি আর দ্বিতীয় দফায় ৮০ কেজি করে চাল পান জেলেরা।
স্থানীয় জেলে জাহিদ ব্যাপারী, চয়ন বিশ্বাস ও সিরাজ শিকদার বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষেরাও নদীতে নৌকা ও জাল বেয়েছে। আমরাও তাই করছি। কিন্তু এখন তো নদীতে আগের মত মাছ নেই। বন্ধের সময় যে চাল সহায়তা পাই তা দিয়ে আমাদের চলেনা। খুব কষ্ট হয়।
জাতীয় মৎস্যজীবি সমিতির মোংলা শাখা সভাপতি বিদ্যুৎ মন্ডল বলেন, এ এলাকায় প্রায় ৩০ হাজার জেলে রয়েছে। যাদের মধ্যে ১৫ হাজার জেলে নিবন্ধিত হওয়ার যোগ্য। কিন্তু এখানে নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৬ হাজারের একটু বেশি। বাকিরা আবেদন দিয়েই যাচ্ছে কিন্তু কার্ড পাচ্ছে না।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের দেয়া নিষেধাজ্ঞাকালে জেলেদের চাল সহায়তা দেয়া হয়ে থাকে। তবে বনবিভাগের যে নিষেধাজ্ঞা থাকে সে সময় জেলেদের কোন কিছু দেয়া হয় না। তবে আশা করা যাচ্ছে আগামী বছর থেকে জেলেরা বনবিভাগের কাছ থেকে কিছু সহায়তা পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT