শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার ডুমুরিয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া বিষে ৫ লক্ষ টাকার মাছ নিধন খুলনাকে আবারও শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উজিরপুরে ব্যাপক আয়োজনে নতুন কুঁড়ি শুভ উদ্বোধন ​উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন

দশমিনায় পল্টুন ভেঙ্গে যাওয়ায় লঞ্চে উঠতে নামতে যাত্রীদের ভোগান্তি

  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১ পড়েছেন

দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ব্যস্ততম নৌ বানিজ্যিক কেন্দ্র আউলিয়াপুর লঞ্চঘাট এখন ভোগান্তির কারন হয়ে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের(বিআইডব্লিউটিএ)স্থাপিত পল্টুনটি সংযোগ জেটি থেকে কাঠের পাটাতন ভেঙ্গে পড়ে গেছে। ফলে নদী পথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে। পল্টুনটি দীর্যদিন ধরে সংস্কার কিংবা পুন:নির্মান না করায় চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার শত শত যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে উঠানামা করে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়,আউলিয়াপুর লঞ্চঘাটের পল্টুনটি সংযোগ স্থাপনকারী সড়কসহ পুরো অংশই ভেঙ্গে পড়ে গেছে। এর ফলে পল্টুনটি জেটি থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে কাঠের ভাঙ্গা পাটাতনের উপর দিয়েই যাত্রীদেরকে ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে উঠানামা করতে হয়। নদীতে জোয়ারের সময় পানি বাড়লে লঞ্চ কোনভাবে তীরের কাছে নোঙ্গর করা সম্ভব হলেও ভাটার সময় পরিস্থিতি বেশ খারাপ হয়ে যায়। উপজেলার এই লঞ্চঘাটটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ন বানিজ্যিক নৌ যোগাযোগ কেন্দ্র হিসাবে পরিচিতি রয়েছে। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ঢাকাসহ বরিশাল, ভোলা, চট্রগ্রাম, চাঁদপুর, রাঙ্গাবালী, গলাচিপা, কলাপাড়া, চরফ্যাশন, মনপুরা ও নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলে সর্বাধিক যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া ব্যবসা বানিজ্যের জন্য এই নৌ রুটের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ঢাকাগামী মহিলা যাত্রী আসমা বেগম জানান,শিশুদেরকে নিয়ে লঞ্চে উঠানামা করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে পা পিছলে নীচে পড়ে যাবার ভয় থাকে। ভোলাগামী যাত্রী কবির হোসেন জানান,পল্টুনে ঝুঁকি নিয়ে উঠতে হয়। কাঠের সরু সিড়ি দিয়ে লঞ্চে উঠতে গিয়ে অনেক সময় যাত্রীদেরকে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যায়। সঙ্গে মালপত্র থাকলে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) এই বিষয়ে কোন নজরদারী নেই বললেই চলে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সূত্র থেকে জানা যায়,পল্টুনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার হাজিরহাট, বাঁশবাড়িয়া ও আউলিয়াপুর লঞ্চঘাটের পল্টুনগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংস্কার করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT