
যশোর অফিস : যশোর শহরে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছেন। এ সময় ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অপরদিকে, নানা অনিয়ম ও প্যাথলজি ল্যাব না থাকায় লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার তালাবদ্ধ করে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিম বিনতে মুস্তাফিজ ও স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার নবনীতা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাসেবা প্রদানের উপযুক্ত পরিবেশ না থাকার বিষয়টি আসে। সেখানে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসক পরিচয়ে চেম্বার করতেন বলে জানা যায়। তবে অভিযান শুরুর আগেই তিনি পালিয়ে যান। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগের দুটি সরকারি টিকিট পাওয়া যায়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো প্যাথলজি ল্যাবের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অভিযানের সময় মালিকপক্ষের কাউকে উপস্থিত না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যশোর মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা.মনির হাসানের অংশীদারত্ব রয়েছে বলে জানা গেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিম বিনতে মুস্তাফিজ জানান, লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরকারি হাসপাতালের দুটি টিকিট ও প্যাথলজি ল্যাব না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাসেবার উপযুক্ত পরিবেশ না থাকা এবং সেখানে কথিত ভুয়া চিকিৎসকের চেম্বার করার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মালিকপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply