শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন কুঁড়ির সেরা ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির আমন্ত্রণপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী খুমেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে লেখা কোরআন উপহার দিলেন ৯ বছরের শিশু কৃষিতে সফল উপকূলের নারীরা ভেরি বাধ ভাঙ্গার আতঙ্ক, এখনো ঘুমাতে পারে না উপকূলের মানুষ ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে আটক ৪০০ জন, চলছে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রচেষ্টা

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ২২ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টার চালু হওয়ার পর প্রথম ৭ দিনে রাজ্য প্রশাসন এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জন কথিত ‘বাংলাদেশি’কে আটক করেছে। তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আটক করা হয়েছে বসিরহাট পুলিশ জেলায়। সেখানে ৩৩৫ জন কথিত অবৈধ অভিবাসীকে আটক রাখা হয়েছে। তাদের রাখা হয়েছে তেঁতুলঘাটি, পাথরশাঁতি, চরঘাট ও সুভাষ নগরের বন্যা ত্রাণকেন্দ্রগুলোতে।
বসিরহাট ছাড়াও মালদা, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়ও কথিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া বারুইপুর, বারাসাত, কোচবিহার, জঙ্গিপুর, কৃষ্ণনগর ও বনগাঁ পুলিশ জেলাগুলোতেও আটক ব্যক্তিদের রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এসব হোল্ডিং সেন্টারে নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করেছে রাজ্য প্রশাসন। সূত্রের দাবি, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে আটক ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত এবং নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা যায়। সূত্রগুলো জানিয়েছে, হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে কেরালায় কর্মরত চার শ্রমিকও রয়েছেন সেই কথিত অভিবাসীদের মধ্যে, যাঁরা ২৬ মে হাকিমপুর সীমান্ত ফাঁড়িতে পৌঁছেছিলেন। তাঁদের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার একটি আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
ফোনে কথা বলতে গিয়ে ওই চার যুবকের একজন মতলেব হোসেন বলেন, ‘গতকাল আমাদের বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হয়েছে। তাঁরা আমাদের আঙুলের ছাপ ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেছে। বিএসএফ কর্মকর্তারাও আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। কীভাবে ভারতে প্রবেশ করেছি, কোথায় কাজ করেছি এবং কোথায় থেকেছি, সে বিষয়ে সব তথ্য নিয়েছেন। আমরা তাঁদের সবকিছু জানিয়েছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT