শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন কুঁড়ির সেরা ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির আমন্ত্রণপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী খুমেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে লেখা কোরআন উপহার দিলেন ৯ বছরের শিশু কৃষিতে সফল উপকূলের নারীরা ভেরি বাধ ভাঙ্গার আতঙ্ক, এখনো ঘুমাতে পারে না উপকূলের মানুষ ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ইরান যুদ্ধের ৫০ দিনে ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলার

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রায় ৫০ দিন ধরে চলা ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের অপরিশোধিত তেলের।
এ সংকটের প্রভাব আগামী কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত থাকতে পারে বলে দাবি বিশ্লেষকদের। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
বৈশ্বিক পণ্য ও বাণিজ্যের লাইভ ডাটা প্রদানকারী সংস্থা কেপলার ডাটা জানিয়েছে, এ বছর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংকট শুরুর পর থেকে বৈশ্বিক বাজারে ৫০ কোটির বেশি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট সরবরাহ কমেছে।
যেটিকে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিমাণ তেল দিয়ে বিশ্বব্যাপী পাঁচ দিনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালানো সম্ভব ছিল। এছাড়া এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক মাসের তেলের চাহিদা কিংবা ইউরোপের এক মাসের বেশি সময়ের জ্বালানি চাহিদার সমান।
গত মার্চ মাসে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর দৈনিক প্রায় ৮০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমে যায়, যা বিশ্বের বড় দুই তেল কোম্পানি এক্সন মবিলের সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি।
এছাড়া সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান থেকে জেট ফুয়েল রফতানি গত ফেব্রুয়ারি মাসের ১ কোটি ৯৬ লাখ ব্যারেল থেকে নেমে মার্চ ও এপ্রিল মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪১ লাখ ব্যারেলে।
তেলের গড় মূল্য প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ধরে, এই ঘাটতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছেন ডাটা সংস্থা কেপলারের গবেষক জোহানেস রাউবল।
তবে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হলেও উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কুয়েত ও ইরাকের ভারী তেলক্ষেত্র স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগতে পারে।
এছাড়া বিভিন্ন শোধনাগার ও কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের ক্ষয়ক্ষতির কারণে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো পুরোপুরি পুনরুদ্ধারে কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT