শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন কুঁড়ির সেরা ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির আমন্ত্রণপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী খুমেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে লেখা কোরআন উপহার দিলেন ৯ বছরের শিশু কৃষিতে সফল উপকূলের নারীরা ভেরি বাধ ভাঙ্গার আতঙ্ক, এখনো ঘুমাতে পারে না উপকূলের মানুষ ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পদত্যাগ করব না, ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক : অনড় মমতা

  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ১৮ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও বলেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না। তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে অনড়। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হওয়া নিন্দা ও ক্ষোভের মধ্যেই তিনি বলেন, ‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই দিনটি একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হোক।’ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল দলের বিধায়কদের সঙ্গে এক বৈঠকে বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৯ এপ্রিল থেকে চলা নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে তাঁর দল আদালতে যাবে। এ সময় দলের কর্মীদের মনোবল চাঙা করার পাশাপাশি তিনি একটি সতর্কবার্তাও দিয়েছেন—দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বললে সেই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটি শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, শীর্ষ পদ তথা মুখ্যমন্ত্রীর পদের দৌড়ে এগিয়ে থাকা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী জোর দিয়ে দাবি করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গে কোনো নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ঘটছে না। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যে বিক্ষিপ্ত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, তা ২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার তুলনায় অনেক কম। কিছু গুন্ডা এখনো সক্রিয় আছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’
এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলকে আন্দোলনের মেজাজে রাখতে চান। তিনি ঘোষণা করেছেন, বিধানসভা শুরুর দিনটিকে ‘কালো পোশাক দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে।
৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁর অবস্থানে অনড় রয়েছেন এবং হারের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করছেন। তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘নোংরা খেলা’ খেলার অভিযোগ তুলেছেন এবং মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও বিহারের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপিবিরোধী জোটের পরাজয়ের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।
গতকাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ না করার ঘোষণা রাজনৈতিক নেতাদের নিয়মের বই ঘাঁটতে বাধ্য করেছে। তবে এর কোনো স্পষ্ট ‘এসওপি’ বা নির্দেশিকা নেই—সম্ভবত এই ধরনের পরিস্থিতির কথা কেউ কখনো কল্পনাও করেননি।
বিদ্যমান ব্যাখ্যার ওপর নির্ভরশীল এবং সাধারণ ধারণা হলো, রাজ্যপাল অর্থাৎ, গভর্নর টেকনিক্যালি মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের সন্তুষ্টির ওপর নির্ভর করে পদে আসীন থাকেন এবং বিধানসভা ভেঙে না যাওয়া পর্যন্তই তিনি পদে থাকতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আস্থা ভোটের মাধ্যমে বরখাস্ত করার বিধান থাকলেও, নতুন নির্বাচনের ফলাফল চলে আসায় তা কার্যকর নয়। আবার রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা একটি চরম পদক্ষেপ। কারণ, রাজ্যপাল চাইলেই বিজয়ী দল বা জোটকে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানাতে পারেন।
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ ৭ মে, আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে, যা সমাধানের জন্য কার্যত কোনো সময়ই হাতে রাখছে না। ইতিমধ্যেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাসহ অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বরখাস্তের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT