
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :: শ্যামনগর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সাবেক ছাত্রলীগের ক্যাডার মোস্তাফিজুর রহমানের খুটির জোর কোথায় তা জানতে চায় সুধী মহল থেকে শুধু শ্যামনগর নয় সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ মানুষ। দুর্নীতি অনিয়ম অপকর্মের ও ঘুষ বাণিজ্যের হাজার অভিযোগ মাথায় নিয়ে এ বছরের ৮ জুলাই বদলি হয়ে চলে যান সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়। সেখান থেকে সরকারের উদ্যতন কর্তৃপক্ষের চোখে ধুলো দিয়ে নিজেকে বড় মাপের পরিচয় দিয়ে বদলি হয়ে আবার মাস না পরতেই শ্যামনগরে এসে যোগদান করেছেন। এই দুর্নীতিবাজ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান শ্যামনগরে যোগদান করার পরে এক শ্রেণীর দালাল চক্ররা তাকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাদের আগের মতো নিয়মিত দালালি কর্মকাণ্ড আবারো চালিয়ে যাচ্ছেন প্লাস্টিকের ড্রাম দেওয়ার নামে মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে ওই সমস্ত দালালরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করছেন এবং আইডি কার্ডের ফটোকপি এক কপি ছবি ও মোবাইল নাম্বার নিচ্ছেন এমন খবর শ্যামনগর উপজেলার বারটি ইউনিয়ন থেকে বিভিন্ন মানুষ এই এই প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন। আর সুধীমহল থেকে সাতক্ষীরা জেলার সর্বস্তরের মানুষ মোস্তাফিজুর রহমান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শ্যামনগরে যোগদানের পর থেকে নিন্দা জানাচ্ছেন এবং প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তবে তার শ্যামনগরে অফিসে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অফিস সহকারী এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমানের শ্যামনগরে ফিরে আসার কারণ উপকার ভোগী, ঠিকাদার এবং দালালদের কাছে প্রায় এক কোটি ঘুষের টাকা অনাদায় রয়েছে সে কারণে সে উপমহলে তদবির করে এই টাকা আদায়ের জন্য তড়িঘড়ি করে শ্যামনগরে এসেছে। তিনি আরো বলেন মোস্তাফিজুর রহমান পুনরায় শ্যামনগরে যোগদান করার পর থেকে সেই সমস্ত উপকার ভোগীরা ও ঠিকাদার এবং দালালরা অফিসে আনাগোনা শুরু করেছে। এছাড়া মুস্তাফিজুর রহমান নতুন করে আবার এবছর বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে উপকার ভোগী ও দালালদের কাজ থাকে টাকা চাওয়া শুরু করেছে। ওই অফিস সহকারী
আরো জানান যদিও মোস্তাফিজুর রহমান যোগদানের পর এক সপ্তাহ বাড়িতে কাটিয়ে এসে রবিবার নিয়মিতভাবে যোগদান করে অফিসের কার্যক্রম এবং তার ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।শ্যামনগর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সাবেক ছাত্রলীগের ক্যাডার মুস্তাফিজুর রহমানের ঘুষ বাণিজ্য দুর্নীতি অপকর্ম নিয়ে ইতিপূর্বে এই প্রতিবেদক বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন যার প্রেক্ষিতে এই প্রতিবেদককে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমান আবার শ্যামনগর যোগদান করার পর এই প্রতিবেদক তার কাছে ফিরে আবার শ্যামনগরে যোগদানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন আমরা এদেশে ভেসে আসি নাই আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হলেও আমাদের ভিট মজুদ রয়েছে। শ্যামনগর কেন,আমি মুস্তাফিজুর রহমান মনে চাইলে কেসি যে কোন উপজেলায় পোস্টিং নিতে পারি এবং সেই ক্ষমতা আমার রয়েছে। আবার দুর্নীতি অপকর্ম ঘুষ বাণিজ্য হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন যারা ঘুষ-বানিজ্য করছে দুর্নীতি করছে তাদের হিসাব তারা দিবে আপনার এত প্রতিবাদ করার এবং জানার প্রয়োজন হচ্ছে কেন? শ্যামনগর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান শ্যামনগর থেকে বদলি হয়ে আশাশুনি যাওয়ার পরে তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য দুর্নীতি অপকর্ম সহ হাজারো অপরাধের অভিযুক্ত হিসেবে এই প্রতিবেদক যে সমস্ত প্রতিবেদন লিখেছিলেন তার একটি প্রতিবেদন নিম্নে উল্লেখ করা হলো। শ্যামনগরে সাবেক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের পাহাড় সমান দুর্নীতির অভিযোগের খুলনা থেকে প্রকাশিত আঞ্চলিক দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকায় খবর প্রকাশ করায় সাতক্ষীরা আলোচিত সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামকে প্রকাশ্য হত্যার হুমকি দিয়েছে কলারোয়ার সাবেক ছাত্রলীগের ক্যাডার বর্তমান আশাশুনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান। শ্যামনগরে প্লাস্টিক ড্রাম বিতারনে অনিয়ম দুর্নীতি ঘুষ বাণিজ্য সহ নানাবিধ দুর্নীতির খবর ২৫ আগস্ট ২০২৬ দৈনিক জন্মভূমির অনলাইনে প্রকাশিত হয়। খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পরে প্রকাশ্য মোস্তাফিজুর রহমান তার ব্যবহৃত ০১৭১৬০৪৩১১৬ মোবাইল নাম্বারে বিকাল পাঁচটা ৪০মিনিটে এই হত্যার হুমকি দেন। নিউজ প্রকাশের পরে তিনি তার ব্যবহারিত ফোন থেকে সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের বাটন ফোনে ফোন দিয়ে বলেন আপনার মত সাংবাদিক হত্যা করে ড্রেনে ফেলায়ে দেওয়ার সক্ষম আমার রয়েছে শুধু সরকার আমার ব্যক্তিগত অনুকূলে নেই বলে আপনাকে সাইজ করতে আমার একটু বিলম্ব হচ্ছে। তিনি বলেন আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান আমার পরিবারের সকল সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত সে কারণে আমি একটু দুর্বল তাছাড়া আমার অনেক ভাই ব্রাদার গ্রেফতার আতঙ্কে এলাকার বাইরে রয়েছে ।সে কারণে আপনাকে সাইজ করতে আমার বিলম্ব হচ্ছে তা না হলে এতক্ষণ আপনার লাশ খণ্ড খন্ড করে ড্রেনে ফালাই দিতাম। আমার নাম মোস্তাফিজুর রহমান আমার এক সময় ডাক নাম ছিল ছাত্রলীগের ক্যাডার মুস্তাফিজুর। এর পরে আরো বলেন ঘুষ-বানিজ্য দুর্নীতি যদি করে থাকি করেছি আমি তাতে আপনার কি আপনার বাপের টাকা ঘুষ বাণিজ্য করেছি আপনাকে এত বাড়াবাড়ি করা উচিত হচ্ছে না ।কায়দা মত কিন্তু আমি শায়েস্তা করে দেবো আপনাকে সাবধান হয়ে যান ।আপনার মত সাংবাদিক ডজনে ডজনে আমার সাথে থাকে তারা আমাকে চেনে আমি কোন ধরনের লোক। তাছাড়া তিনি আরো বলেন ড্রামে ঘুষ বাণিজ্য কি আমি একা করেছি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি খাতুন এর জন্য সম্পন্ন দায়ী। তিনি টাকা পয়সা নিয়ে তালিকা চূড়ান্ত করে আমার কাছে দিয়েছে আমি সেই মোতাবেক টেন্ডার করিয়ে মালামাল বিতরণ করেছি এখনো ২৫ শতাংশ মালামাল বিতরণ করতে বাকি রয়েছে পর্যায়ক্রমে সেগুলো উপকার
ভোগিরা পাবেন এছাড়া তিনি বলেন সময় খারাপ আপনাকে হত্যা করতে না পারলেও আপনার বিরুদ্ধে আমি কয়েক ডজন মামলা দেবো যা সারা জীবন আপনাকে মনে থাকে এবং সেই মামলা ঠেলতে ঠেলতে আপনার জীবনে যেন কয়লা হয়ে যায়। তিনি আরো বলেন আমি ছাত্রলীগের কোটায় চাকরি নিছি বলে আমাদের এত দোষ তাহলে বাংলাদেশে ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের কোন লোক চাকরি করতে পারবেনা দেখা যাক আমারও হ্যাডামে জ্বর আছে সেটা আমি আপনাকে দেখিয়ে ছেড়ে দিব। আপনি কত বড় সাংবাদিক হয়েছেন সেটা আপনাকে বুঝিয়ে দিব। আপনাকে যদি আমি উচিত শিক্ষা দিয়ে বুঝিয়ে দিতে পারি তাহলে আপনাকে দেখে আরো দুই একশ সাংবাদিক সংশোধন হয়ে যাবে ।সে কারণে আপনাকে শায়েস্তা করা আমার জন্য অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি খাতুনের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন তা পূর্ণাঙ্গ পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে রনি খাতুন এতে একবিন্দু দায়ী নয় ।দায়ি রয়েছে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান এবং তার নিয়োজিত প্রতি ইউনিয়নে তালিকা তৈরিতে দায়িত্বে থাকা অফিসাররা ও তার নিয়োজিত হাতে গোনা কয়েকজন দালাল।
এখন মোস্তাফিজুর রহমান নিজে বাচার তাগিদে উদোর বোঝা বুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি খাতুনের ঘাড়ে চাপাচ্ছে এটা আদৌ সত্য নহে রনি খাতুন এই ধরনের কর্মকর্তা ছিলেন না এটা শুধু আমি নয় গোটা সংবাদ মাধ্যম সংবাদ কর্মী সকলেই জানে। সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামকে হত্যার ষড়যন্ত্রের বিষয়টি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক আইজিপি মহোদয়, ডিআইজি খুলনা মহোদয় ,পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা মহোদয়, ওসি শ্যামনগর থানা কে অবহিত করা হয়েছিল, সেই সাথে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ডক্টর আব্দুল মহিন খান ও এই দপ্তরেরের মহাপরিচালক আব্দুল আউয়াল মহোদয় কে ইমেলে অভিযোগ আকারে অবহিত করা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয় পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক খুলনা এখানে দাখিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে শ্যামনগরে অনিয়ম দুর্নীতি ও সীমাহীন ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে সদ্য বদলি হওয়া শ্যামনগর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলার বারটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের অভিযোগ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান প্লাস্টিক ড্রাম বিতরণ তালিকা তৈরিতে উপকারভোগীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সর্বশেষ বিভিন্ন মাধ্যমে এই অপকর্মের তথ্য প্রকাশ পাওয়ায় বদলি হয়ে আশাশুনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী পদে দায়িত্ব নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ভুক্তভোগীরা জানান সাবেক দুই এমপি এস,এম জগলুল হায়দার ওএস,এম আতাউল হক দোলন দুইজনের ১৫০০করে মোট তিন হাজার প্লাস্টিক ড্রাম উপকার ভোকিদের নামের তালিকা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে জমা দিয়েছিল এবং এই তালিকা উপজেলা সামন্যায় সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল কিন্তু ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পরে মোস্তাফিজুর রহমান প্রভাব খাটিয়ে দুই সাবেক এমপির তালিকা বাতিল করে বারটি ইউনিয়নে উপজেলা থেকে অফিসার নিয়োগ দিয়ে নতুন করে তালিকা তৈরি করে প্লাস্টিক ড্রাম বিতরণ করেছে ।প্রতিটি উপকার ভোগির কাজ থেকে পাঁচ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ গ্রহণ করেছে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন ঘটনার তদন্ত হলে সবকিছু সত্যতা মিলবে ।মোস্তাফিজুর রহমান তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা এবং তার পরিবারের সকল সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। এখনো পর্যন্ত তার ভাই বন্ধু আত্মীয়-স্বজন আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত ।খবর নিয়ে জানা গেছে তার ভাই আত্মীয়-স্বজনরা এখন বর্তমান অনেকেই পলাতক রয়েছে গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমান ভোল পাল্টে দিয়ে সে যে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এটা এড়িয়ে চলতে চায়।, পাঁচ থেকে দশ হাজার করে টাকা নিয়ে প্লাস্টিক ড্রাম বিতরণের তালিকায় অনেকের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে আবার অনেকের নাম অন্তর্ভুক্ত করেনি। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান নিজস্ব ঠিকাদার দিয়ে প্লাস্টিক ট্যাংক স্থাপনের কাজ করছে সেখান থেকেও ২৫% কমিশন নিয়েছে বলে প্রাপ্ত তথ্য উঠে এসেছে। যারা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তারা অনেকেই প্লাস্টিক ড্রাম পেয়েছেন আবার অনেকে পায়নি আর যাদের নাম তালিকায় নেই তারা তো রাস্তায় রাস্তায় কেঁদে বেড়াচ্ছে এই ফাঁকে কৌশলে বদলি হয়ে চলে গেছে আওয়ামী লীগ আমলের ছাত্রলীগের এই প্রভাবশালী নেতা বর্তমান আশাশুনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান তার নিজস্ব এলাকায় যেয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মোস্তাফিজুর রহমান উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী চাকরি পান সেই সোপাতে প্রভাব বিস্তার করে কোন মানুষকে তোয়াক্কা না করে নিজের মত নিজে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গরীব দুস্ত মানুষকে বিপাকে ফেলে শ্যামনগর থেকে বদলি হয়ে চলে গেছে আশাশুনি।এই সমস্ত অবৈধ টাকা দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান নিজ গ্রামে বানিয়েছে আলিশান বাড়ি রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি ব্যাংক এ রয়েছে কোটি কোটি টাকা নামে বেনামী।এই তালিকা তৈরিতে জামায়াতে ইসলাম ও বিএনপি কোন নেতাকর্মীদেরও পাত্তা দেওয়া হয়নি। কথা হয় অভিযুক্ত উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন আমি তো নিজে তালিকা করেনি তালিকা করেছে প্রতি ইউনিয়নে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা টাকা গ্রহণ করলে তারা করেছে এখানে আমার কোন হাত নেই তারা যে তালিকা করে এনে দিয়েছে সেই তালিকায় আমি উপজেলায় অনুমোদন করে প্লাস্টিক ট্যাং বিতরণ করেছি কিছু বাকি আছে সেগুলো অল্পদিনের মধ্যেই পেয়ে যাবে। শ্যামনগর উপজেলার বারোটা ইউনিয়নের অধিকাংশই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ,প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা জানিয়েছেন প্লাস্টিক ট্যাঙ্ক বিতরণ তালিকায় আমাদের কোন কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান তার অফিস থেকে লোক পাঠিয়ে তালিকা তৈরি করেছে এবং তারাই গরীব দুস্ত অসহায় মানুষের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছে ।তারপরেও অনেক ব্যক্তির নাম তালিকাভুক্ত হয়নি এ ব্যাপারে তারা তদন্ত করে সাবেক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের বিচার দাবি করেছেন ।এ ব্যাপারে কথা হয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুল আউয়াল এর সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন বুঝতে পেরেছি ভাই আপনি যা বলতে চাচ্ছেন ধৈর্য সহকারে শুনলাম পত্রিকায় প্রতিবেদন সহ একটি লিখিত অভিযোগ আমার বরাবরে পাঠান ।তিনি আরো বলেন বর্তমান দেশের যে পরিস্থিতি সত্যিই যদি সে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হয়ে এবং আওয়ামী লীগ পরিবারের লোক হয়ে এই সীমাহীন দুর্নীতি অপকর্ম করে থাকে তাহলে তাকে আগে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে ।তারপরে তদন্ত করে প্রমাণিত হলে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক বাড়ি পাঠানো হবে ।মিস্টার আব্দুল আউয়াল আরও বলেন প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে গরিবের জন্য দেওয়া সরকারের অনুদান পানি খাওয়ার প্লাস্টিক ট্যাঙ্ক দেওয়ার নামে যদি টাকা উত্তোলন করে থাকে তাহলে তাকে কি শাস্তি দেওয়া যেতে পারে সেটা শেষ নামাতে আমি পারবো না ।যদি তা হয়ে থাকে তাহলে সে জঘন্য অপরাধ করেছে বর্তমান সরকার তাকে কোন কায়দায় ছাড় দিবে না। আমি তো দূরের কথা ঘটনা যদি সত্য হয় তার পক্ষে আমিও কথা বলতে গেলে আমারও চাকরি চলে যাবে বলে জানিয়েছেন আব্দুল আওয়াল। সর্বশেষ কথা হয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ডক্টর মইন খান এর সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন আপনি নিশ্চিত থাকেন বিষয়টি তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে আমার মন্ত্রণালয় অপরাধ করে কেউ ছাড় পাবে না। বর্তমান শ্যামনগর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সাবেক ছাত্রলীগের ক্যাডার মুস্তাফিজুর রহমানের আবার পুনরায় যোগদানের বিষয়টি নিয়ে কথা হয় স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ডক্টর মঈন খানের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন তাকে যে আবার বদলি করে শ্যামনগর পাঠিয়েছে আমার মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়টি আমি জানিনা কিন্তু আপনি যখন কথাটি আমাকে জানালেন আমি আজকের মধ্য ডিজির কাছে সত্যতা যাচাই করে অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করব। তিনি আরো বলেন আপনি নিশ্চিত থাকুন বিএনপি সরকার, তারেক রহমানের সরকার কোন দুর্নীতি সজন প্রীতি প্রশ্রয় দিবে না। তবে সর্বশেষ শ্যামনগর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন এগুলো মিথ্যা বানোয়াট এক শ্রেণীর মানুষের সুবিধা দিতে পারেনি বলে আমার বিরুদ্ধে এই সমস্ত মিথ্যা তথ্য উত্থাপন করে এবং সাংবাদিকদের কাছে দিয়ে সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে প্রতিবেদন লেখা হচ্ছে। তিনি এক মাসের মাথায় আবার শ্যামনগর ফিরে আসার বিষয়টি জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন এটা আমার বিষয় নয় ডিপার্টমেন্ট এখানে আমাকে আবার পাঠিয়েছে তাই আমি এসেছি এখানে। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি দুর্নীতি করে থাকলে কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এতে আমার কোন আপত্তি নেই।
Leave a Reply