শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে খাল পরিষ্কারের কাজ করলেন উজিরপুরের ইউএনও নড়াইলে নারী নৌকা বাইচ, সাংস্কৃতিক উৎসব  ও ফ্রি হেলথ ক্যাম্প  উদ্বোধন সাতক্ষীরায় খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে ৪৪ লাখ টাকার মালামাল লুট কিশোর গ্যাং: এর অপরাধ নিবে কার কাঁধে? নতুন কুঁড়ির সেরা ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির আমন্ত্রণপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী খুমেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে লেখা কোরআন উপহার দিলেন ৯ বছরের শিশু কৃষিতে সফল উপকূলের নারীরা ভেরি বাধ ভাঙ্গার আতঙ্ক, এখনো ঘুমাতে পারে না উপকূলের মানুষ

গাজায় গণহত্যা চালাতে ২,৫৯৬টি অস্ত্রের চালান পাঠায় ভারত

  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪০ পড়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গাজায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালাতে ইসরায়েলকে ২,৫৯৬টি অস্ত্রের চালান পাঠিয়েছে ভারত। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের একটি নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় গণহত্যা চলাকালীন ভারতীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এবং বেসরকারি সংস্থাগুলো ইসরায়েলে ২,৫৯৬টি চালানের মাধ্যমে কয়েক লাখ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। খবর মিডলইস্ট আইয়ের।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পাঠানো এই চালানগুলোর মধ্যে ছিল মেশিনগানের যন্ত্রাংশ, এলবিট সিস্টেমসকে সরবরাহ করা ১৫৫ মিমি উচ্চ-বিস্ফোরক কামানের গোলা, খান ইউনিসের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আবিষ্কৃত স্কাইস্ট্রাইকার “কামিকাজে” ড্রোনের জন্য বিস্ফোরক ওয়ারহেড এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর জন্য সাঁজোয়া যানের যন্ত্রাংশ।

অ্যামনেস্টির মতে, এর মধ্যে ছিল ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৭০টি বিস্ফোরক অস্ত্রের যন্ত্রাংশ (ড্রোন ওয়ারহেড, কামানের গোলার খোল এবং অন্যান্য) সামরিক মানের অস্ত্রের জন্য ৩ লাখ ৯০ হাজার ৫১৬টি ছোট অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনীকে সরঞ্জাম সরবরাহকারী বড় ইসরায়েলি সংস্থাগুলোর জন্য ২৯৮টি সামরিক যানের যন্ত্রাংশ।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকে দখলদার দেশটি গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। ইসরায়েলের নৃশংসতায় ২০২৬ সালের ২৯ জুলাই পর্যন্ত কমপক্ষে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত বা আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘ভারতে তৈরি: ইসরায়েলে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর তথ্যগুলো “ইচ্ছাকৃতভাবে একটি রক্ষণশীল পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তৈরি এবং এটি সম্ভবত ইসরায়েলের সামরিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারতের অবদানের প্রকৃত মাত্রাকে কম করে দেখিয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি এমন ধারাবাহিক প্রতিবেদনের সর্বশেষ সংযোজন, যেখানে অভিযোগ করা হচ্ছে যে ভারত গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় বস্তুগতভাবে সমর্থন দিয়েছে।

এর আগে অভিযোগ উঠেছিল যে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর নয়াদিল্লি ইসরায়েলকে যুদ্ধ ড্রোন, বোমা এবং অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেছে।

২০২৬ সালের মে মাসে ফিলিস্তিনি নেতৃত্বাধীন বয়কট, বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা (বিডিএস) আন্দোলন এবং গণহত্যার জন্য কোনো আশ্রয় নেই (এনএইচজি) সংগঠনগুলো ভারত থেকে ইসরায়েলে পাঠানো সামরিক সরঞ্জাম সম্পর্কে সতর্ক করেছিল।

নো হারবার ফর জেনোসাইড নামে একটি সংগঠনের মুখপাত্র বলেন, ইসরায়েলের বিশাল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন রয়েছে, কিন্তু তার পরও মহাকাশযান শিল্পের জন্য উচ্চ প্রযুক্তির উপকরণ হোক বা সামরিক ইস্পাতের মতো বিপুল পরিমাণ কাঁচামালই হোক- এসব ভারত থেকে আমদানি করছে।

একইভাবে, ইসরায়েলি কর কর্তৃপক্ষের (আইটিএ) আমদানি তথ্যের উপর ভিত্তি করে আল জাজিরার একটি তদন্তে দেখা গেছে যে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে ইসরায়েলে সামরিক-সম্পর্কিত পণ্য রপ্তানিকারকদের মধ্যে ভারত ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়েরের পর গোয়াসহ বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরতে যাওয়া ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রিজার্ভ সেনারা ভারত থেকে ‘পলায়ন’ শুরু করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT