শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন কুঁড়ির সেরা ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির আমন্ত্রণপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী খুমেক হাসপাতালের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোস্তফা কামাল প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে লেখা কোরআন উপহার দিলেন ৯ বছরের শিশু কৃষিতে সফল উপকূলের নারীরা ভেরি বাধ ভাঙ্গার আতঙ্ক, এখনো ঘুমাতে পারে না উপকূলের মানুষ ফকিরহাটে নতুন কুঁড়ি স্পোটর্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ১৪ বছরের স্কুলছাত্রীর বিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ যশোরে দুই মাদক ও অস্ত্র মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবনসহ ১৭ বছরের কারাদণ্ড যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শরণখোলায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চার ঘণ্টার ব্যবধানে সাবেক দুই সংসদ সদস্যের মৃত্যু

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৮৯ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : চার ঘণ্টার ব্যবধানে না ফেরার দেশে চলে গেছেন সাবেক দুই সংসদ সদস্য। তারা হলেন- সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের দুইবারের সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম তালুকদার এবং বরগুনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার।
সোমবার দিবাগত রাত ১১টার পরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি গ্রামের নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর-চৌহালী) আসনের দুই বারের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম তালুকদার। তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
নুরুল ইসলাম দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়া জানান, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন নুরুল ইসলাম। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। শাহজাদপুর ও চৌহালী অঞ্চলের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং জনকল্যাণে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ শোকপ্রকাশ করেছেন।
এর চার ঘণ্টা আগে মারা যান বরগুনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার।
সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মতিউর রহমান। পরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন।
২০০১ সালের নির্বাচনে মজিবুর রহমান তালুকদার নির্বাচনী প্রচারণায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন শেখ হাসিনা।
সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে পরাজিত হন মতিউর রহমান।
পরবর্তীতে শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয়ী হলে বরগুনা-৩ আসনটি শূন্য হয়। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হন মতিউর রহমান তালুকদার এবং পরে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আসন পুনর্নির্ধারণের পর তিনি বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT