শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা: উপকূলে নিঃসঙ্গ দিন কাটছে প্রবীণদের জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না: প্রতিমন্ত্রী অমিত যশোর সীমান্তে ২১ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল আটক পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মসমর্পণ ডুমুরিয়ায় গাঁজা গাছসহ গাঁজা চাষী আটক গ্যাসের দাম বেড়ে ৩২ ডলার, ভর্তুকি দিতে হয়েছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা: জ্বালানিমন্ত্রী হেলিকপ্টারে ফরিদপুরে পৌঁছাল নিহত সেনাসদস্যের মরদেহ সুন্দরবনে আবারও পাঁচ জেলে অপহরণ ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা আবহমান বাংলার হাজার বছরের প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য : নিতাই রায় চৌধুরী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ, গ্রেপ্তার চিফ অব স্টাফ

শিশুকে অপহরণ করে হত্যা: দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬ পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : ১৮ বছর আগে রাজধানীর কাফরুল থানাধীন এলাকায় শফিকুল ইসলাম মিলন (১১) নামে এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে দুইজনকে যাবজ্জীবন এবং একজনকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন, আল আমিন ঘরামী ও মাসুদ রানা।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমানের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অপহরণের দায়ে ১৫ বছর বয়সি সাইফুল ইসলাম ওরফে ছোট সাইফুলকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. আব্দুল মোতালেব ওরফে মোতা এবং আমিরুল ইসলাম ওরফে রুবেলকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামি মাসুদ রানা উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে ফের কারাগার পাঠানো হয়। অপর দুই আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। রায়ে আসামিদের স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৬ মার্চ বাসা থেকে খেলার উদ্দেশ্যে মিলন বের হন। এরপর আর সে বাসায় ফিরে আসেনি। ৭ মার্চ থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অপহরণকারীরা মিলনের পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
এ ঘটনায় মিলনের বাবা শফিকুল ইসলাম ওরফে শহিদ ১৩ মার্চ কাফরুল থানায় অপহরণের মামলা করেন। কললিস্টের সূত্র ধরে আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, সাভারের রামচন্দ্রপুর কর্ণপাড়া নামের স্থান থেকে মিলনের হাড়, দাঁত, রক্তমাখা পাথর উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মামলায় হত্যার অভিযোগ সংযুক্ত করা হয়।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ২৩ মে কাফরুল থানার উপ-পরিদর্শক মীর আবুল কালাম আজাদ মোট ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রযুক্তি সহযোগীতায় BD IT SUPPORT