ডেস্ক রিপোর্ট : হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি জাহাজ অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একজন ক্রু আহত হয়েছেন। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউকেএমটিও জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হওয়ার সময় জাহাজটিতে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। এতে ইঞ্জিন কক্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং একজন ক্রু আহত হন। বাকি ক্রুদের ওমানের কোস্টগার্ড সহায়তা করছে।
ঘটনায় পরিবেশগত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। হামলার ঘটনা তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির আশপাশে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল এবং সন্দেহজনক কোনো তৎপরতা দেখা গেলে তা জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় পড়ায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এখনো স্বাভাবিক হয়নি। সোমবার এই জলপথে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের সংখ্যা এক অঙ্কে ছিল বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, সোমবার ছয়টি পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে তিনটি উপসাগরে প্রবেশ করেছে এবং তিনটি বের হয়েছে। গত ১০ দিনে এই জলপথে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১টি জাহাজ চলাচল করেছে।
সপ্তাহান্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ ছিল। শনিবার মাত্র তিনটি এবং রোববার দুটি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচল করেছে।
কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার কোনো সুপারট্যাংকার বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনকারী জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করেনি।
তবে কিছু জাহাজ ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারে। সে কারণে পর্যবেক্ষণের তথ্যে প্রকৃত জাহাজের সংখ্যা পুরোপুরি প্রতিফলিত নাও হতে পারে বলে জানিয়েছে কেপলার।
সম্পাদক ও প্রকাশক: খান মাহাবুব হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: মিশারুল ইসলাম (মনির), বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৬/১, ফারাজীপাড়া লেন, খুলনা। প্রকাশক কর্তৃক ফ্রেন্ডস প্রিন্টার্স, ১০৭, স্যার ইকবাল রোড থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ : ফোন : ০৪১-৭৩২৭০০, মোবা : ০১৭১১-৩৪৬৬৬২, ০১৭১১-০৬৫৭৫৬। 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦, 𝐖𝐞𝐛 : 𝐰𝐰𝐰.daily𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧.𝐜𝐨𝐦
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত : dailysangjogprotidin.com