সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুন্দরবনে কাকঁড়ার পাস বন্ধ থাকার ঘোষণা দিয়েছে বন বিভাগ। বন বিভাগের ঘোষণা থাকলেও লোকালয়ে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ছোট কাঁকড়া। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে চলেছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সুন্দরবনে এসব কাঁকড়া নিধনে অভযানে নেমেছেন প্রজেক্ট মালিক ও অসাধু ব্যাবসায়ীরা।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কলবাড়ি, হরিনগর, সুন্দরবন, মীরগাং, ভেটখালী, বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা, চাঁদনীমুখাসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার কয়রা, কাঠ কাটা, ঘড়িলাল, আংটিহারা, জোড়শিং ও পাইকগাছা থেকে সড়ক ও নৌপথে প্রতি রাতে ৩-৪ হাজার কেজি ধরা ও বিক্রয় অযোগ্য ছোট কাঁকড়া নিয়ে আসা হচ্ছে। বুড়িগোয়ালিনীতে অবস্থিত দুই শতাধিক সফট সেল ফার্মে। অধিক হারে ছোট কাঁকড়া ধরে এনে প্রজেক্ট মালিকদের মন জয় করছে তারা। বিনিময়ে নিচ্ছে পালসার মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি এমন কি আলিশান বাড়িও।
অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রজেক্ট মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা অগ্রিম নিচ্ছে এসব ব্যাবসায়ীরা। তারা স্থানীয় জেলেদেরকে দাদন দিয়ে সুন্দরবনে ছোট কাঁকড়া ধরতে পাঠায়। ধরে আনা কাঁকড়া অধিক দামে কেনার কারণে অতিরিক্ত লাভের আশায় ছোট কাঁকড়া আহরণকারীরা একপ্রকার আসক্ত হয়ে পড়েছেন। ছোট কাঁকড়া ক্রয় ও বিক্রয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বারবার অবগত করানো হলেও কোনরকম পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বড় কাঁকড়া ব্যবসায়ী বলেন, ছোট কাকড়ার চাহিদা বেশি হওয়ায় আমরা বড় কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা মারাত্মক হুমকির মধ্যে আছি। সুন্দরবনে দেখা দিয়েছে বড় কাঁকড়ার অভাব। দিনে দিনে কমতে শুরু করেছে নদীর কাঁকড়া। সারাদিনে যে বড় কাঁকড়া হয় তা বিক্রি করে ঠিকমতো সংসার চালাতে পারছি না। অতিরিক্ত লাভের আশায় ছোট কাঁকড়া আহরণকারীরা একপ্রকার আসক্ত হয়ে পড়েছেন।
পরিবেশবিদ মোহন কুমার মন্ডল বলেন, সুন্দরবন থেকে অচিরেই ছোট কাঁকড়া ধরা বন্ধ না করলে সুন্দরবন কাঁকড়া প্রাণী শূন্য হয়ে পড়বে। হুমকির মুখে পড়বে সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্য। তাই সকলকে সুন্দরবন রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
পশ্চিম সুন্দরবনের রেঞ্জ কর্মকর্তা এমএ হাসান জানান, ছোট কাঁকড়া ধরা বন্ধ করতে আমরা সব সময় তৎপর আছি। গত ১ জানুয়ারি থেকে দুই মাস সুন্দরবনে কাকঁড়ার পাস পারমিশন বন্ধ আছে। সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার অবৈধ কাজের সাথে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিমে সুন্দরবনের কাঁকড়ার পাস বন্ধ থাকলেও লোকালয়ে প্রকাশ্য বিক্রি হচ্ছে ছোট ছোট কাঁকড়া। অজ্ঞাত কারনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিষয়টি না দেখার ভান করে চলেছে। অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সুন্দরবনের কাঁকড়া নিধনে নেমে পড়েছে প্রজেক্ট মালিকরা ও একদল অসাধু ব্যবসায়ী।
শ্যামনগর উপজেলার কলবাড়ি, হরিনগর, সুন্দরবন, মীরগাং, ভেটখালী, বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা, চাঁদনীমুখা সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার কয়রা, কাঠ কাটা, ঘড়িলাল, আংটিহারা, জোড়শিং ও পাইকগাছা থেকে সড়ক ও নৌপথে প্রতি রাতে ৩-৪ হাজার কেজি কাঁকড়া ধরা ও বিক্রয় অযোগ্য ছোট কাঁকড়া নিয়ে আসা হচ্ছে। বুড়িগোয়ালিনীতে অবস্থিত দুই শতাধিক সফট সেল ফার্মে।বেশি লাভের আশায় জোট বেঁধে ছোট কাঁকড়া সংগ্রহ করেছেন একদল অসাধু ব্যবসায়ী।
ব্যবসায়ীরা অধিক হারে ছোট কাঁকড়া ম্যানেজ করে প্রজেক্ট মালিকদের মন জয় করছে। বিনিময়ে নিচ্ছে পালসার মটর সাইকেল, ফ্রিজ, টিভি এমন কি আলিশান বাড়িও। অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রজেক্ট মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা অগ্রিম নিচ্ছে এসব ব্যবসায়ীরা। তারা স্থানীয় জেলেদের কে দাদন দিয়ে সুন্দরবন থেকে ছোট ছোট কাঁকড়া ধরতে পাঠায়। ধরে আনা কাঁকড়া অধিক দামে কেনার কারণে অতিরিক্ত লাভের আশায় ছোট কাঁকড়া আহরণকারীরা একপ্রকার আসক্ত হয়ে পড়েছেন। ছোট কাঁকড়া ক্রয় ও বিক্রয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বারবার অবগত করা হলেও কোন রকম পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বড় কাঁকড়া ব্যবসায়ী বলেন, ছোট কাঁকড়ার চাহিদা বেশি হওয়ায়। আমরা বড় কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা মারাত্মক হুমকির মধ্যে আছি। সুন্দরবনে দেখা দিয়েছে বড় কাঁকড়ার অভাব। দিনে দিনে কমতে শুরু করেছে নদীর কাঁকড়া। সারাদিনে যে বড় কাঁকড়া হয় তা বিক্রি করে ঠিকমতো সংসার চালাতে পারছি না। অতিরিক্ত লাভের আশায় ছোট কাঁকড়া আহরণকারীরা একপ্রকার আসক্ত হয়ে পড়েছেন।
পরিবেশবিদ মোহন কুমার মন্ডল বলেন, সুন্দরবন থেকে অচিরেই ছোট কাঁকড়া ধরা বন্ধ না করলে সুন্দরবন কাঁকড়া প্রাণি শূন্য হয়ে পড়বে। হুমকির মুখে পড়বে সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্য।তাই সকলকে সুন্দরবন রক্ষায় এগিয়ে আসার আহবান জানাই। পশ্চিম সুন্দরবনের রেঞ্জ কর্মকর্তা এম,এ হাসান জানান, ছোট কাঁকড়া ধরা বন্ধ করতে আমরা সব সময় তৎপর আছি। গত ১লা জানুয়ারি থেকে দুই মাস সুন্দরবনে কাকঁড়ার পাস ও পারমিশন বন্ধ আছে। সুন্দরবনের সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার অবৈধ কাজের সাথে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: খান মাহাবুব হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: মিশারুল ইসলাম (মনির), বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৬/১, ফারাজীপাড়া লেন, খুলনা। প্রকাশক কর্তৃক ফ্রেন্ডস প্রিন্টার্স, ১০৭, স্যার ইকবাল রোড থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ : ফোন : ০৪১-৭৩২৭০০, মোবা : ০১৭১১-৩৪৬৬৬২, ০১৭১১-০৬৫৭৫৬। 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦, 𝐖𝐞𝐛 : 𝐰𝐰𝐰.daily𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧.𝐜𝐨𝐦
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত : dailysangjogprotidin.com