সিরাজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পরের এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন। এতে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় স্মরণকালের অন্যতম তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে ও মানুষ শক্ত কম্পন টের পান বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজের আগে মসজিদে অবস্থানরত অনেকে আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এ ভূমিকম্পে শহর ও গ্রাম, দুই এলাকাতেই মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন।
ভূমিকম্পের সময় তালা উপজেলার একটি মাটির ঘর আংশিক ধসে পড়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের প্রাণহানি বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রাসেল জানান,শুক্রবার দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইনস্পেক্টর মো. নুরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার কোনো ফায়ার স্টেশনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ আসেনি। তবে কিছু স্থানে ভবনে ফাটলের খবর পেয়েছি। সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করব।
কিছুদিন আগে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল, যার কেন্দ্রস্থলও ছিল স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত এলাকা। পরপর কয়েকটি ভূমিকম্পে উপকূলবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে ও অপ্রয়োজনে গুজব না ছড়ানোর জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
যশোরে বড় মাত্রার এক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার নামাজ চলাকালীন এই ভূকম্পন অনুভূত হলে জনমনে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৪।যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, আজ দুপুর ১টা ৫২ মিনিট ২৯ সেকেন্ড ৫.৪ মাত্রার মাঝারি থেকে শক্তিশালী এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পরের এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়ন। এতে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় স্মরণকালের অন্যতম তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে ও মানুষ শক্ত কম্পন টের পান বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজের…
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সুযোগ্য পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল এই প্রতিবেদককে,প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন সবেমাত্র জুম্মার নামাজ পড়ে বাইরে পা দিয়েছি মুহূর্তের ভিতর একটি ঝাকুনি। এরপরে চারিদিক থেকে থানার অতি সহ বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষীরা ফোন দিচ্ছে সাতক্ষীরায় মারাত্মক আকারের ভূমিকম্প কম্পন দেখা দিয়েছে যার কারণে অনেক ছোটখাটো বিল্ডিং এ ফাটল ধরেছে। তাছাড়া তিনি আরো জানান বিশেষ করে আশাশুনি উপজেলা ও সাতক্ষীরা উপজেলার ছোটখাটো ঘরবাড়ি ঘরের চাল মাটির দেয়াল ধসে যাবার খবর পাওয়া গেছে তবে কোন প্রাণহানির খবর এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তিনি এই প্রতিবেদকে আরো বলেন প্রতিটি থানায় মুহূর্তের ভিতর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কোন হাতাহাতের খবর আছে কিনা এবং কি পরিমানে মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেজন্য প্রতিটি মানুষের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য। তিনি আরো জানান আমি নিজেও নামাজ পড়ে বাসায় ওঠেনি ভূমিকম্পের অনুভূতি পেয়ে নানান জায়গায় ঘুরে এসেছি মানুষের ক্ষয়ক্ষতি ও ভূমিকম্পের ত্রাস থেকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য।
এ ব্যাপারে এই প্রতিবেদকের কথা হয় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিসেজ আফরোজা আক্তারের সাথে তিনি এই প্রতিপাদককে জানান সবেমাত্র জোহরের নামাজ পড়ে উঠলাম একটু ঝাকুনি দিল বাসার মধ্যে চারিদিকে টাকাটা কি করতে লাগলাম ইতিমধ্য বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা ও সাতক্ষীরা জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তি গণমাধ্যম কর্মীরা শুভাকাঙ্ক্ষীরা সাতক্ষীরায় ব্যাপক আকারে ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর দিতে লাগলেন। সর্বশেষ খবরে জানা গেল ভূমিকম্পের স্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি। সে কারণে শহরের বেশ কয়েকটি বিল্ডিংয়ে ফাটল ধরেছে এবং আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায় মানুষের ঘরের চাল ঘরের বেড়া ফেটে যেয়ে অনেক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তবে ক্ষয়ক্ষতির বিষয় এখনো নির্ণয় করা যায়নি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করতে। আফরোজা আক্তার আরো জানান তবে আমার কাছে হতাহতের কোন খবর এখনো পর্যন্ত পৌঁছয়নি তাতে করে মনে হচ্ছে কেউ হতাহত হয়নি। তিনি আরো বলেন তবে একে তো রমজান মাস মানুষ এমনি ক্লান্ত থাকে তারপরও ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে সাতক্ষীরার মানুষ ব্যাপক ভীতু সঞ্চয় বিরাজ করেছেন এবং এখনো আতঙ্কে রয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: খান মাহাবুব হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: মিশারুল ইসলাম (মনির), বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৬/১, ফারাজীপাড়া লেন, খুলনা। প্রকাশক কর্তৃক ফ্রেন্ডস প্রিন্টার্স, ১০৭, স্যার ইকবাল রোড থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ : ফোন : ০৪১-৭৩২৭০০, মোবা : ০১৭১১-৩৪৬৬৬২, ০১৭১১-০৬৫৭৫৬। 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦, 𝐖𝐞𝐛 : 𝐰𝐰𝐰.daily𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧.𝐜𝐨𝐦
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত : dailysangjogprotidin.com