সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : দেশের নিত্যদিনের খাবারের অন্যতম উপাদান টমেটো। সালাদ থেকে রান্না সবখানেই এর উপস্থিতি অপরিহার্য। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে দেশে টমেটো উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে বাড়ছে টমেটো আমদানি। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২২ হাজার ৪১৬ মেট্রিক টন টমেটো আমদানি হয়েছে। এর আমদানি মূল্য ১৪০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। দেশে যে পরিমাণ টমেটো উৎপাদন হয়, তা দিয়ে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ সম্ভব নয় বলে জানান শীর্ষ আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। তাঁদের ভাষায়, ‘টমেটো একটি জনপ্রিয় খাদ্যপণ্য। পরিবারের রান্নাঘর থেকে শুরু করে হোটেল-রেস্তোরাঁÑসব জায়গাতেই এর ব্যবহার প্রচুর। দেশে উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমাদের আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। টমেটো শুধু সবজি নয়, ফল হিসেবেও জনপ্রিয়। এটি দিয়ে তৈরি হয় জুস, জেলি ও সস, যা দেশীয় বাজার ছাড়িয়ে রপ্তানিও হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, টমেটো একটি ভিটামিনসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি হলেও প্রযুক্তির সহায়তায় সারা বছরই এর চাষ সম্ভব। তবে প্রয়োজন উন্নত বীজ, সেচব্যবস্থা ও উপযুক্ত জমি। সম্প্রতি সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মাছের ঘেরের বাঁধে বা উঁচু জমিতে টমেটো চাষ বাড়ছে। এতে অনেক কৃষক লাভবান হচ্ছেন। জেলা কৃষি অফিস বলছে, বাণিজ্যিকভাবে টমেটো চাষ লাভজনক। উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার ও সময়োপযোগী উদ্যোগ নিলে উৎপাদন ঘাটতি পূরণ সম্ভব। এতে শুধু আমদানি নির্ভরতা কমবে না, বরং উদ্বৃত্ত টমেটো রপ্তানিও করা যাবে। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, টমেটো উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয়ও বাড়বে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: খান মাহাবুব হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: মিশারুল ইসলাম (মনির), বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৬/১, ফারাজীপাড়া লেন, খুলনা। প্রকাশক কর্তৃক ফ্রেন্ডস প্রিন্টার্স, ১০৭, স্যার ইকবাল রোড থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ : ফোন : ০৪১-৭৩২৭০০, মোবা : ০১৭১১-৩৪৬৬৬২, ০১৭১১-০৬৫৭৫৬। 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦, 𝐖𝐞𝐛 : 𝐰𝐰𝐰.daily𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧.𝐜𝐨𝐦
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত : dailysangjogprotidin.com