ডেস্ক রিপোর্ট : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালরের কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তবে এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গরীব ও মেধাবীদের বিনা বেতনের পড়ার সুযোগসহ বেশ কিছু শর্ত উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর সুবিধার বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। ভাষা শিক্ষা ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে।
কর ব্যবস্থাকে সরকার স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে চান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত বাজেটের কয়েকটি বিষয়ে ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করের আওতা বাড়াতে ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তি মিউটেশনের ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রস্তাব প্রত্যাহারের অনুরোধও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শন বিধান নিয়ে আমরা জনমনে উদ্বেগ লক্ষ্য করছি। দেশে অনেকেই প্রকৃতমূল্যে জমি নিবন্ধন করেন না। মৌজা মূল্যে জমি নিবন্ধন করেন। এ কারণে প্রকৃত ক্রয়মূল্য না দেখানোর জন্য করদাতাদের ঝামেলা পোহাতে দেখি। করদাতের ঝামেলামুক্ত করার জন্য এ বিধানটি প্রস্তাব করা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত কেউ কেউ এটাকে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বলে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রস্তাবিত বিধানটিকে প্রত্যাহার করার জন্য অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নরমালি দাবিটা বিরোধী দল থেকে হয়ে থাকে। আমি আপাতত ফিজিক্যালি না হলেও মানসিকভাবে ওনাদের পাশে গিয়ে কথা বলতে চাই।’
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিগত আয়ের আয়কর অব্যাহতি সীমা ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার ও ২০২৮-২৯,২৯-৩০ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরের জন্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্যক্তিগত করদাতাদের করহার কিছুটা লাঘব করে কিছুটা স্বস্তি দিতে চাই আমরা। সে কারণে ২০২৬-২৭ ও ২৭-২৮ কর বছরের জন্য ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২৯-৩০ কর বছরের জন্য ৪ লাখ ৫০ টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরের জন্য ৫ লাখ টাকা করার জন্য অর্থমন্ত্রীকে প্রস্তাব করছি।
এ সময় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের মহাপরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: খান মাহাবুব হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: মিশারুল ইসলাম (মনির), বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৬/১, ফারাজীপাড়া লেন, খুলনা। প্রকাশক কর্তৃক ফ্রেন্ডস প্রিন্টার্স, ১০৭, স্যার ইকবাল রোড থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ : ফোন : ০৪১-৭৩২৭০০, মোবা : ০১৭১১-৩৪৬৬৬২, ০১৭১১-০৬৫৭৫৬। 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦, 𝐖𝐞𝐛 : 𝐰𝐰𝐰.daily𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧.𝐜𝐨𝐦
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত : dailysangjogprotidin.com