নিজস্ব প্রতিবেদক : মিথ্যা জন্ম তারিখ ও মিথ্যা সনদে চাকরি নেওয়ার ঘটনায় চাকরিচ্যুত খুলনার সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের নৈশ প্রহরী মো. সিরাজুল ইসলাম কর্তৃক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যদিয়ে আদালত বন বিভাগ কর্তৃক তার বরখাস্তাদেশ বহাল রেখেছেন। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) খুলনার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ। তিনি বলেন, আদালত সকল প্রতিপক্ষের (বন বিভাগ) বিরুদ্ধে দো-তরফা সূত্রে সিরাজুল ইসলামের দায়েরকৃত মামলা না-মঞ্জুর করেছেন। ফলে বন বিভাগের বরখাস্তাদেশ বহাল রয়েছে।
এর আগে বনবিভাগ কর্তৃক তদন্তের মাধ্যমে প্রমানিত হওয়ায় ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী চাকুরী থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। উক্ত দন্ডাদেশ এর বিরুদ্ধে বরখাস্তকৃত নৈশ প্রহরী খুলনার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করে। পরে আদালত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এ রায় ঘোষণার মাধ্যমে বন বিভাগের দন্ডাদেশ বহাল রেখেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নৈশ প্রহরী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে একজন বনকর্মচারী দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠানে তার বেতন-ভাতা কর্তৃক গৃহীত অর্থ আদায় পূর্বক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার অভিযোগ জানালে তাৎক্ষণিক ভাবে দুদক নির্দেশনা প্রদান করেন এবং অবৈধ ভাবে চাকরি গ্রহণের কারনে ওই নৈশ প্রহরী কর্তৃক গৃহীত অর্থ ফৌযদারি মামলা দয়েরের মাধ্যমে তার নিকট থেকে আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
আদালত কর্তৃক দন্ডাদেশ বহাল রাখায় উক্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার বিষয়ে বন বিভাগের আর কোন বাঁধা নেই। আলোচিত এই সিরাজুল ইসলামের ভোগকৃত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফিরিয়ে আনার প্রতীক্ষায় রয়েছে বনকর্তৃপক্ষ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: খান মাহাবুব হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: মিশারুল ইসলাম (মনির), বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৬/১, ফারাজীপাড়া লেন, খুলনা। প্রকাশক কর্তৃক ফ্রেন্ডস প্রিন্টার্স, ১০৭, স্যার ইকবাল রোড থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ : ফোন : ০৪১-৭৩২৭০০, মোবা : ০১৭১১-৩৪৬৬৬২, ০১৭১১-০৬৫৭৫৬। 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦, 𝐖𝐞𝐛 : 𝐰𝐰𝐰.daily𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧.𝐜𝐨𝐦
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত : dailysangjogprotidin.com