ডেস্ক রিপোর্ট : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ আসনে সনাতনী ও আওয়ামী লীগের ভোট ভাগাভাগি করে নিতে চায় ১২ প্রার্থী। এ আসনে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক টার্গেট করে ৮ জন সনাতনী ধর্মের প্রার্থী জোরেসোরে প্রচার-প্রচারণায় আছেন। অন্যদিকে মুসলিম ধর্মের চারজন প্রার্থী, তারাও একই ভোট ব্যাংকে হানা দিতে দৌড়ঝাপ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা।
দাকোপ-বটিয়াঘাটা উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে ৩ লাখ ৩ হাজার ৫৪২ জন ভোটার নিয়ে মোট ১৯৯টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। ৬৩৭টি বুথে তারা ভোট দেবেন। বটিয়াঘাটা উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ৬৭ হাজার ২১০ জন আর দাকোপ উপজেলায় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩২ জন।
দীর্ঘদিনের পরিচিত আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে চিহ্নিত এ আসনে এবারই ৮জন সনাতন ধর্মাবলম্বী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের প্রত্যেকেরই টার্গেট সনাতনী এবং আওয়ামী লীগের ভোট ছিনিয়ে নেয়ার। দাকোপ বটিয়াঘাটায় তাদের জন্মসূত্রে বহু আত্মীয় এবং সুধিজন রয়েছেন। বিগত কোন নির্বাচনে এ আসন থেকে এতবেশী সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রার্থী হিসেবে ভোটে অংশ নিতে দেখা যায়নি। তাদের প্রত্যেকের লক্ষ্য, সনাতনী এবং আওয়ামী লীগের ভোট বেশী টেনে নিতে পারলে নির্বাচনে সহজে জয়লাভ করা যেতে পারে। এ সব প্রার্থীর অনেকেই নিজ নিজ উদ্যোগে হ্যান্ডবিল বিলিয়ে চলেছেন। কোন কোন প্রার্থীকে দেখা গেছে, তিনি নিজে এবং তার স্ত্রী মিলে প্রচারের কাজ করছেন। তার সঙ্গে কোন কর্মী নেই। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বটিয়াঘাটা বাজার চত্বরে জামায়াত ইসলামীর সভা চলাকালে বাংলাদেশ সমঅধিকার পরিষদের সুব্রত মন্ডলকে দেখা যায় দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে প্রচার চালাতে। তিনি বিভিন্ন দোকানে যেয়ে বিভিন্ন মানুষের হাতে তুলে দেন তার প্রতীক এবং ভোট প্রার্থনা করেন।
এছাড়া প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সুনীল শুভ রায় (মোমবাতি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দী (দাড়ি পাল্লা), বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির কিশোর কুমার রায় (কাস্তে), জেএসডির প্রসেনজিৎ দত্ত (তারা), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রবীর গোপাল রায় (রকেট), স্বতন্ত্র অচ্যিন্ত কুমার মন্ডল (ঘোড়া), স্বতন্ত্র গোবিন্দ হালদার (কলস)। পাশাপাশি মুসলিম ধর্মালম্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আমীর এজাজ খান, জাতীয় পার্টির মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেরশর মো: আবু সাঈদ (হাতপাখা) এবং গণঅধিকার পরিষদের জিএম রোকনুজ্জামান (ট্রাক) প্রতীক নিয়ে প্রচারে আছেন।
যে সব প্রার্থী প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন, তাদের মধ্যে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, কাস্তে, মোমবাতী, হাতপাখা এবং লাঙ্গল প্রতীকের পরিচিতি ভোটারের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বাকী ছয়টি প্রতীকের কোন পরিচিতি এখনও ভোটরের মুখে শোনা যায়নি।
দাকোপ বটিয়াঘাটা উপজেলার বহু ভোটারের সাথে আলাপ কালে তারা ছয়টি প্রতীকের নাম বলতে পারলেও বাকী গুলোর নাম বলতে পারেনি। নির্বাচন বোদ্ধারা বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসছে না এমন সংবাদে অতি উৎসাহী কিছু লোক এবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তারদের পরিচয় ভোটারের দোয়ারে নেই। তারা বলেন, এদের অধিকাংশের জামানত বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে ধানের শীষ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। অন্যরা তাদের বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয় স্বজনের কিছু ভোট পাবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: খান মাহাবুব হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: মিশারুল ইসলাম (মনির), বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২৬/১, ফারাজীপাড়া লেন, খুলনা। প্রকাশক কর্তৃক ফ্রেন্ডস প্রিন্টার্স, ১০৭, স্যার ইকবাল রোড থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন বিভাগ : ফোন : ০৪১-৭৩২৭০০, মোবা : ০১৭১১-৩৪৬৬৬২, ০১৭১১-০৬৫৭৫৬। 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦, 𝐖𝐞𝐛 : 𝐰𝐰𝐰.daily𝐬𝐚𝐧𝐠𝐣𝐨𝐠𝐩𝐫𝐨𝐭𝐢𝐝𝐢𝐧.𝐜𝐨𝐦
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত : dailysangjogprotidin.com